Friday, December 8, 2023

খন্দকার বাজার ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্ট: বাংলাদেশের যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন

খন্দকার বাজার ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্ট (কেবিএসডব্লিউটি) বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের যুবসমাজকে ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

এই অলাভজনক সংস্থাটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ছাত্রদের তাদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশ ও সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখতে সহায়তা করে।

লক্ষ্য  ও দৃষ্টিভঙ্গি:

কেবিএসডব্লিউটির মিশন হলো খন্দকার বাজার ও আশেপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাগত উৎকর্ষ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 

সংস্থাটি এমন একটি সমাজের দিকে অগ্রসর হচ্ছে যেখানে তরুণরা তাদের নির্বাচিত ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তি ও নেতা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে।


কার্যক্রম ও উদ্যোগ:

কেবিএসডব্লিউটি তার মিশন অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি ও উদ্যোগ গ্রহণ করে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
  • শিক্ষা বৃত্তি: যোগ্য শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
  • দক্ষতা বিকাশ কর্মশালা: কম্পিউটার সাক্ষরতা, যোগাযোগ এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো ব্যবহারিক দক্ষতা দিয়ে শিক্ষার্থীদের সজ্জিত করা।
  • সাংস্কৃতিক ও প্রতিভা অনুষ্ঠান: ছাত্রদের প্রতিভা প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে উৎসাহিত করার জন্য বিতর্ক, প্রতিযোগিতা ও পারফরম্যান্সের মতো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
  • সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি: সামাজিক সমস্যাগুলো মোকাবেলা করতে এবং ছাত্রদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করতে স্থানীয় সংগঠনগুলোর সাথে সহযোগিতা করা।

প্রভাব ও অর্জন:

স্থাপনার পর থেকে, কেবিএসডব্লিউটি অসংখ্য ছাত্রের জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে। 

সংস্থাটির বেশ কয়েকটি অর্জন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
  1. শত শত শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা যাতে তারা তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারে।
  2. বিভিন্ন দক্ষতায় হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া যা তাদের কর্মসংস্থানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  3. স্থানীয় প্রতিভা উন্নয়ন ও সম্প্রদায়ের মনোবল বৃদ্ধির জন্য অসংখ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
  4. ছাত্রদের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করে এবং স্থানীয় চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধানে

Khondokar Bazar Student Welfare Trust: Empowering Youth in Bangladesh

The Khondokar Bazar Student Welfare Trust (KBSWT) plays a vital role in empowering the youth of Sylhet, Bangladesh

This non-profit organization strives to provide educational and cultural opportunities to students, helping them reach their full potential and contribute positively to society.


Mission and Vision:

KBSWT's mission is to foster academic excellence, social responsibility, and cultural awareness among students in Khondokar Bazar and its surrounding areas. 

The organization envisions a community where young people are equipped with the necessary skills and knowledge to become successful individuals and leaders in their chosen fields.


Activities and Initiatives:

KBSWT organizes a variety of programs and initiatives to achieve its mission. These include:
  • Educational scholarships: Providing financial assistance to deserving students to pursue their education.
  • Skill development workshops: Equipping students with practical skills like computer literacy, communication, and vocational training.
  • Cultural and talent programs: Organizing events like debates, competitions, and performances to showcase student talent and foster cultural appreciation.
  • Community outreach programs: Collaborating with local organizations to address social issues and promote civic engagement among students.

Impact and Achievements:

  1. Since its inception, KBSWT has positively impacted the lives of numerous students. The organization boasts several achievements, including:
  2. Awarded scholarships to hundreds of students enabling them to continue their education.
  3. Trained thousands of students in various skills, boosting their employability.
  4. Organized numerous cultural events, promoting local talent and fostering community spirit.
  5. Contributed to the overall development of Khondokar Bazar by advocating for student rights and addressing local challenges.

Challenges and Future Plans:

KBSWT faces ongoing challenges like limited funding and resources. 

However, the organization remains committed to its mission and is actively seeking partnerships and collaborations to expand its reach and impact. KBSWT plans to:
  • Increase the number of scholarships and skill development programs offered.
  • Expand its outreach to include more students in rural areas.
  • Partner with educational institutions and businesses to create internship and job opportunities for students.
  • Utilize technology to enhance its programs and reach a wider audience.

Supporting KBSWT:

Individuals and organizations can support KBSWT's mission by:
  1. Making donations to the organization.
  2. Volunteering their time and expertise.
  3. Spreading awareness about KBSWT's work.
  4. Collaborating on projects and initiatives.

The Khondokar Bazar Student Welfare Trust is a valuable resource for the youth of Sylhet. 

By supporting KBSWT, we can empower the next generation of leaders and contribute to a brighter future for Bangladesh.

Monday, February 15, 2021

খন্দকার বাজার ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্ট: সিলেটের উজ্জ্বল আশার আলো

খন্দকার বাজার ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্ট (কেবিএসডব্লিউটি) শুধু একটি সংস্থা নয়, এটি সিলেটের উজ্জ্বল আশার আলো। এই অলাভজনক সংস্থাটি তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জীবনে পরিবর্তন আনছে।

শিক্ষার পথ উজ্জ্বল করে: কেবিএসডব্লিউটির মূল কাজ হলো শিক্ষাকে সবার কাছে সহজলভ্য করা। সংস্থাটি দরিদ্র ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করে তাদের শিক্ষার পথ উজ্জ্বল করে। শুধু তাই নয়, কম্পিউটার সাক্ষরতা, যোগাযোগ, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো বিভিন্ন দক্ষতা বিকাশের কর্মশালাও আয়োজন করে। এই দক্ষতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের দ্বার খুলে দেয়।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক: কেবিএসডব্লিউটি শুধু শিক্ষায় নয়, সাংস্কৃতিক চেতনায়ও গুরুত্ব দেয়। সংস্থাটি নিয়মিতভাবে বিতর্ক, প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, তাদের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখে।

সমাজের উন্নয়নে সহায়ক: কেবিএসডবলিউটি শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির জন্যও কাজ করে। সংস্থাটি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করে। এতে করে তারা সুশিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হয়।

অবিরাম চলবে এ পথচলা: কেবিএসডব্লিউটির পথচলা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে অবিরাম চলছে। সামনের দিনগুলোতে সংস্থাটি আরও শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান, আরও বেশি দক্ষতা বিকাশের কর্মশালা আয়োজন এবং আরও ব্যাপক সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেটের শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে অবদান রাখবে।

সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: কেবিএসডব্লিউটির সাফল্যের জন্য সবার সহযোগিতা জরুরি। আমরা সবাই মিলে দান, স্বেচ্ছাসেবা ও প্রচারণার মাধ্যমে এই সংস্থার পাশে দাঁড়াতে পারি। এতে করে সিলেটের শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্ন পূরণে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে পারবে এবং আগামী দিনে তারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

**আসুন, আমরা সবাই কেবল স্বপ্ন দেখি না,

 ডাউনলোড করুন 

Sunday, February 14, 2021

কুইজ প্রতিযোগিতা ২০১৯

বাংলাদেশের সরকার কোভিড-১৯ এর মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের এই মারাত্মক ভাইরাস থেকে রক্ষার কৌশল হিসেবে গত ১৮ মার্চ, ২০২০ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় তারা লেখাপড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে এবং তাদের মধ্যে বিরাজ করছে হতাশা।


এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দূর করে শিক্ষার পরিবেশে ফিরে আনা ও সৃজনশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে খন্দকার বাজার স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট  কর্তৃক পরিচালিত খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে  "ট্যালেন্ট হান্ট (মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ) - ২০২১" আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের নিজের ভবিষ্যৎ ও একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ার উপায় সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করবে।। 


প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীর যোগ্যতা: 

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট থেকে দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত যেকোনো শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করতে পারবে। 


প্রতিযোগিতা ফি: 

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার ফি প্রদান করতে হবে না । 


প্রাইজমানি:

আমার মনে হয় প্রাইজমানিতে পরিবর্তন আনা দরকার। নতুন প্রস্তাব-


১ম পুরস্কার : ৫০০০ টাকা এবং সার্টিফিকেট

২য় পুরস্কার : ৩০০০ টাকা এবং সার্টিফিকেট

৩য় পুরস্কার : ২০০০ টাকা এবং সার্টিফিকেট

বিশেষ পুরস্কার : ১৫ জন ( জনপ্রতি ৫০০ টাকা এবং সার্টিফিকেট )

বিশেষ পুরস্কার প্রতিক্লাস থেকে তিনজন করে দেওয়া হবে।


এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার । 


উত্তরপত্র জমাদানের শেষ তারিখ: ৩১ শে মার্চ ২০২১ খ্রী:


ফলাফল: বিজয়ীদের নাম ও পুরষ্কার গ্রহণের সময় ও স্থান ফোনে জানিয়ে দেওয়া হবে।। 

প্রতিযোগিতার পার্টিসিপেন্ট: ২০০ জন (সম্ভাব্য)

প্রজেক্ট ব্যয়: ৩০,০০০ টাকা


প্রজেক্ট আউটকাম: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার অনুকূল পরিবেশে ফিরে আসবে। 

এর মাধ্যমে তারা পাঠ্যবই সহ বিভিন্ন আউটবই নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করবে, এর মাধ্যমে কিছুটা হলে ও তাদের মধ্যে বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হবে। 

তাদের ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য ও লক্ষ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা লাভ করবে এবং এটা অর্জনের জন্য সে আগ্রহী হয়ে উঠবে।। 

ছাত্র হিসেবে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকবে।

সর্বোপরি, এই প্রতিযোগিতায় অংগ্রহণের মাধ্যমে তাদের মধ্যে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরী হবে যা তাদের একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।।

বি: দ্র: এর মাধ্যমে আমরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটা তালিকা পেয়ে যাবো যা আমাদের

পরবর্তী প্রজেক্ট গুলোতে ছাত্র বাছাইকরা করা সহজ হবে । ফুল ফ্রি স্টুডেন্টশীপ বা মেধাবৃত্তি অথবা ছাত্র বাছাইয়ের যেকোনো কাজে এই তালিকা থেকে সাহায্য নিতে পারবো। এর মাধ্যমে আমাদের কাজগুলো বিতর্কের উর্ধে থাকবে 



প্রতিযোগিতার প্রশ্নাবলী :


বাংলাদেশের সরকার কোভিড-১৯ এর মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের এই মারাত্মক ভাইরাস থেকে রক্ষার কৌশল হিসেবে গত ১৮ মার্চ, ২০২০ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় তারা লেখাপড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে এবং তাদের মধ্যে বিরাজ করছে হতাশা।


এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দূর করে শিক্ষার পরিবেশে ফিরে আনা ও সৃজনশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে খন্দকার বাজার স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট  কর্তৃক পরিচালিত খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে  "ট্যালেন্ট হান্ট (মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ) - ২০২১" আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের নিজের ভবিষ্যৎ ও একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ার উপায় সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করবে।। 


প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীর যোগ্যতা: 

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট থেকে দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত যেকোনো শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করতে পারবে।  


প্রতিযোগিতার প্রশ্নাবলী :


১। তোমার জীবনের লক্ষ কি? তুমি এটা কিভাবে অর্জন করবে?


২। একজন ছাত্র হিসেবে তোমার প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব কি এবং কেন?


৩। আদর্শ ছাত্র এবং আদর্শ নাগরিকের মধ্যে তফাৎ কি? একজন আদর্শ ছাত্র কিভাবে আদর্শ নাগরিক হতে পারে?


৪।সফলতা কি? তোমার পরিচিত একজন সফল মানুষের নাম বল? তাকে কেন তুমি সফল মনে কর?


৫।দেশের বাহিরে যদি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আসে তাহলে তুমি উচ্চশিক্ষার জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিবে এবং কেন?


৬। কোন কিছু মুখস্ত করে পড়া  আর বুঝে পড়ার মাঝে তফাৎ কি? তোমার কাছে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়?


৭। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কি? একজন মানুষকে কেন এই শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়?


৮। সমাজসেবা কি? ছাত্র হিসেবে তুমি কিভাবে সমাজের উপকার করতে চাও?


৯। মানুষের কল্যাণদায়ক এ পর্যন্ত তোমার শ্রেষ্ঠ কাজ কি?  তুমি কেন এটাকে তোমার শ্রেষ্ঠ কাজ বলে মনে কর? 


১০।বিদ্যালয়ের কোন বিষয়টি তোমার ভালো লাগে এবং ভালো লাগার কারন কি?


১১।প্রতিষ্টিত হয়ে খন্দকার উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতির জন্য কি করতে চাও? এটি তুমি কিভাবে বাস্তবায়ন করবে?


১২। সততা একটি মহৎ গুন।মহৎ হতে হলে কি সৎ হতে হবে? আমরা অসৎ মানুষকে মহৎ বলিনা কেন?


১৩। বন্ধুত্ব কি? তোমার বন্ধুকে কেন তুমি সবসময় সৎ হওয়ার পরামর্শ দিবে? সৎ সঙ্গে সর্গবাস আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ কেন বলা হয়?


১৪। অপব্যয় কাকে বলে? এর ফলাফল কি হতে পারে?


১৫। মানবতা কি ? মানুষ হিসেবে কেন আমাদের মানবিক হতে হয়?

১৬। স্বাধীনতা কি? মানুষ কেন পরাধীন থাকতে চায় না ?


১৭। প্রকৃতি কি? আমাদেরকে প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে কেন?


১৮। ধর্ম কি? একজন শিক্ষার্থীর ধর্মীয় বিষয়ে যতেষ্ট জ্ঞান থাকা আবশ্যক কেন? 


১৯। কবিতা কি? তুমার প্রিয় কবিতা কোনটি এবং কেন?


২০। কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে কাকে তুমি শ্রেষ্ঠ মনে কর? তোমার কেন তাকে শ্রেষ্ঠ কবি মনে হয়?


২১।"আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?" এখানে ছেলেটিকে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হওয়ার জন্য কেন বলা হয়েছে?

২২। "যার বিদ্যা নাই সে না জানে ভালমন্দ।" এখানে বিদ্যার সাথে ভালমন্দ না জানার সম্পর্ক কি?


২৩। "আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর, 

আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।" উক্ত চরণদ্বারা এখানে কবি কি বুঝিয়েছেন?


২৪।বাড়ির কাছে আরশী নগর

(একঘর) সেথা পড়শী বসত করে-

আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।। এটি একটি লালনগীতি। এর দ্বারা ফকির লালন আমাদের কি বুঝিয়েছেন?


২৫। আইন কি? আমরা আইন কেন মানব? আইন ভঙ্গকারীকে শাস্তি পেতে হয় কেন?


২৬। ইংরেজি ভাষাকে আন্তর্জাতিক ভাষা বলা হয় কেন? বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা ভালোভাবে জানা জরুরী কেন?


২৭। শেক্সপিয়ার কে ছিলেন? তিনি আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন কেন?


২৮। Know Thyself এর বাংলা কি? এর মাধ্যমে সক্রেটিস কি বার্তা দিয়েছেন?


২৯।IELTS কি? এর স্কিল গুলো কি কি? IELTS পরিক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ ?


৩০। Gerund ও Participle চেনার উপায় কি? এটি কেন ব্যবহার করা হয়?


৩১। "I am a student" এর passive voice কি হবে?


৩২। ইমিউন্যু সিস্টেম কি? এর কার্যকারিতা কিভাবে বাড়ানো যায়?

৩৩। খাবার সেলাইন কি? ঘরে খাবার সেলাইন কিভাবে তৈরি করবে?

৩৪। শরীরচর্চা কি? নিয়মিত শরীরচর্চা করলে কি উপকার হয়?

৩৫। আয়রন কি? এর উপকারিতা কি কি?


৩৬। ৩০ কে অর্ধ দ্বারা ভাগ করে ১০ যোগ করলে যোগফল কত হয়?


৩৭। ৩ টি কলমের ক্রয়মূল্য ২ টি কলমের বিক্রয়মূল্যের সমান হলে, লাভ বা ক্ষতির হার কত?


৩৮। চারজন মেয়ে খেলা দেখার জন্য বসে আছে। মিমের বামে রিমা এবং ডানে জারিন। মিম ও জারিনের মাঝে মালিহা বসে আছে। কে বামদিক থেকে দ্বিতীয়?

৩৯। মুক্তিযুদ্ধ বলতে তুমি কি বুঝ? যারা জীবন বাজি রেখে দেশকে শত্রুমুক্ত করলো সেইসব মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ তুমি কিভাবে শোধ করবে?


৪০। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটির ইংরেজি নাম কি? এটি এখন পর্যন্ত কতটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে?


৪১। বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সাত কোটি বাঙালি"... এ উক্তি ব্যবহার করেন কোথায়?  এটির সাথে কি বলেন ?


৪২। স্বপ্নের ঠিকানা কী? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ কি উপলক্ষে এবং কেন গ্রহণ করেন?


৪৩। সাম্প্রতিককালে বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রনালয়ের কোন কাজটি তোমার ভালো লেগেছে এবং কেন?


৪৪। প্রবাসী কারা? প্রবাসীদের দ্বারা আমরা কিভাবে উপকৃত হচ্ছি?


৪৫। কাদেরকে রোহিঙ্গা বলা হয়? সাম্প্রতিককালে ব্যাপক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের জন্য কি কি সংকট সৃষ্টি করেছে বলে তোমার মনে হয়?


৪৬। ছেড়া দ্বিপে মানুষ যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয় কেন?


৪৭। নবেল করোনাভাইরাস কি? এ ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য তুমি কি কি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছ?


৪৮। সোশাল মিডিয়া কি? এর মাধ্যমে আমরা কিভাবে উপকৃত হচ্ছি?


৪৯। খন্দকার বাজার এবং খাগদিওর নামকরণ সম্পর্কে যা জানো লিখ?


৫০। ২০৩০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে বলে তোমার মনে হয়? এর জন্য তোমার ভুমিকা কি থাকবে?

About Us